ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয় পত্র | ইসলামী ব্যাংক ফিক্সড ডিপোজিট একাউন্ট

আমাদের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের এরকম অনেক গ্রাহক রয়েছেন, যারা কিনা ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয় পত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে চান।

আপনিও যদি ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে চান, তাহলে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে এই সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন।

ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয় পত্র কেন বেছে নেবেন?

আপনি যদি প্রতিমাসে সুদবিহীন টাকা জমাতে চান, যাতে করে আপনি দুনিয়া এবং আখিরাতে সফল হতে পারেন, তাহলে আপনি চাইলে ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয় পত্র বেছে নিতে পারেন।

অর্থাৎ যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গ পুরোপুরি হালাল ব্যবস্থার মাধ্যমে টাকা সঞ্চয় করতে চান, তাদের জন্য ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয় পত্র একটি অনন্য সুযোগ।

ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র একাউন্ট খোলার যোগ্যতা

যদি ইসলামিক ব্যাংক সঞ্চয়পত্র একাউন্ট তৈরী করতে চান, তাহলে আপনাকে কিছু যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। বলাবাহুল্য, এই সমস্ত যোগ্যতা যে কেউ অর্জন করতে পারে।

অ্যাকাউন্ট তৈরি করা রিকোয়ারমেন্ট হিসেবে আপনাকে নিম্নলিখিত যোগ্যতার মধ্যে পড়তে হবে।

  • অবশ্যই বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে।
  • বয়স ১৮ বছরের উপরে হতে হবে।
  • ১৮ বছরের কম হলে বাবা-মায়ের নামে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা যেতে পারে।

একাউন্ট তৈরির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করার জন্য আপনাকে যে সমস্ত কাগজপত্র তাদেরকে দিতে হবে, সে সমস্ত কাগজপত্র কথা নিচে মেনশন করা হলো।

  • আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র জন্ম সনদ এর ফটোকপি।
  • একাউন্ট অপেনিং ফর্ম, যেটা আপনি ব্যাংক থেকে কালেক্ট করে নিতে পারবেন।
  • আপনার দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • নমিনীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জাতীয় পরিচয় পত্র।
  • ইউটিলিটি বিল এর কপি।
  • গ্রাহকের e-tin সার্টিফিকেট থাকলে সেটি দিতে পারেন। না থাকলে প্রয়োজন নেই।

উপরে উল্লেখিত কাগজপত্র একটি ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয়পত্র অ্যাকাউন্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজন হবে।

একাউন্ট তৈরীর মুনাফা

আপনি যদি ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয় পত্র অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন, তাহলে এই সঞ্চয়পত্রের একাউন্ট তৈরি করার মাধ্যমে আপনি যে মুনাফা অর্জন করতে পারবেন, সেই সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো।

  • এই অ্যাকাউন্ট আপনি চাইলে ৩ বছর থেকে শুরু করে ৫ বছর মেয়াদ অব্দি তৈরি করতে পারবেন।
  • অ্যাকাউন্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনি ৬%-৬.৫% মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।
  • অ্যাকাউন্ট থেকে আপনি যে মুনাফা অর্জন করবেন, সেই মুনাফা প্রতি মাসেই আপনার একাউন্টে যুক্ত হয়ে যাবে।
  • E-tin সার্টিফিকেট দিলে ভ্যাটের পরিমাণ কিছু কম হবে।

আপনি যদি একটি সঞ্চয় পত্র অ্যাকাউন্ট বিভিন্ন মেয়াদের জন্য তেরী করেন, তাহলে আপনি চাইলে আপনার নির্দিষ্ট মেয়াদ পরিপূর্ণ হওয়ার পূর্বে টাকা তুলতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে যে মুনাফা দেয়া হবে, সে মুনাফা আপনার বর্তমান সময়ের মুনাফা এর সমান করে দেয়া হবে। অর্থাৎ বর্তমান সময়ে যত টাকা মুনাফা দেয়া দরকার সেই পরিমাণ মুনাফা নিয়ে, আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে নিতে পারবেন।

এছাড়াও ইসলামী ব্যাংক ডিপিএস অ্যাকাউন্ট রিলেটেড আরো বিভিন্ন রকমের তথ্য জেনে নিতে চাইলে, নিম্নলিখিত আর্টিকেলটি দেখে নিতে পারেন।

উপরে উল্লেখিত আর্টিকেল এর সহায়তায় আপনি চাইলে খুব সহজেই ইসলামী ব্যাংক ডিপিএস রিলেটেড বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন।

ইসলামী ব্যাংকের যে ডিপোজিট একাউন্ট কিংবা সঞ্চয়পত্র অ্যাকাউন্ট রয়েছে, আশা করি, সে সম্পর্কে জেনে নিতে পেরেছেন।

Leave a Comment