আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর নিয়ম

আমাদের মধ্যে এরকম অনেকেই রয়েছেন যারা কিনা বিদেশ থেকে বাংলাদেশের রেমিটেন্স পাঠাতে চান। এরই ধারাবাহিকতায় রয়েছে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর নিয়ম।

আপনি যদি কোনো কারণে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে চান, তাহলে কি কি উপায়ে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে পারবেন সেই রিলেটেড তথ্য আজকে আলোচনা করা হবে।

আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর নিয়ম

আপনি চাইলে ভিন্ন কয়েকটি উপায় আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপায় হলোঃ

  • মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে।
  • ওয়ার্ল্ডরেমিট এর মাধ্যমে।
  • ব্যাংকের মাধ্যমে ইত্যাদি।

বলতো আপনি যদি খুবই অল্প সময়ে অন্যান্য দেশ থেকে বাংলাদেশের রেমিটেন্স পাঠাতে চান তাহলে আপনি চাইলে উপরে উল্লেখিত তিনটি উপায়ে ব্যবহার করতে পারেন।

তাহলে সংক্ষিপ্তভাবে জেনে নেয়া যাক কিভাবে উপরে উল্লেখিত তিনটি উপায়ে টাকা পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করবেন।

মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে

বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত মোবাইল ব্যাংকিং গুলোর মধ্যে থেকে অন্যতম একটি মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটর হলো বিকাশ।

আপনি চাইলে এই মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটর মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং সাপোর্ট করে এরকম যেকোন দেশ থেকে টাকা পাঠাতে পারবেন।

আপনি যদি আমেরিকার বাসিন্দা হয়ে থাকেন তাহলে সেখানে যদি বিকাশের কোন আউটলেট থেকে থাকে তাহলে আপনি সেই আউটলেট থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে পারবেন।

আমেরিকাতে বিকাশের অনেকগুলো আউট রয়েছে, যেগুলো আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে এবং তারপরে সেখানে গিয়ে আপনার ট্রানজিশনের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

মুলত, অল্পসময়ের মধ্যে আপনি যদি আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে চান কিংবা যেকোন দেশ থেকে বাংলাদেশের টাকা পাঠাতে চান, তাহলে মোবাইল ব্যাংকিং হিসেবে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন।

এছাড়াও আপনি যদি নগদ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে নগদ একাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।

ওয়ার্ল্ডরেমিট মাধ্যমে টাকা পাঠান

এছাড়াও আপনি যদি পৃথিবীর প্রায় গুরুত্বপূর্ণ অনেকগুলো দেশ থেকে টাকা পাঠাতে চান, তাহলে ওয়ার্ল্ডরেমিট ব্যবহার করতে পারেন।

এই প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে আপনি অন্যান্য দেশ থেকে যেভাবে টাকা পাঠাতে পারেন, ঠিক একই রকমভাবে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমত এই প্লাটফর্মে চলে যেতে হবে এবং তারপর এখানে রেজিস্ট্রেশন করার মাধ্যমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে এবং সেই অ্যাকাউন্ট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা মেনে টাকা পাঠাতে হবে।

আপনি যদি এই ওয়েবসাইটে মাধ্যমে টাকা পাঠাতে চান তাহলে যে সমস্ত ডকুমেন্টের প্রয়োজন হবে সেগুলো হলোঃ প্রাপকের পুরো নাম, প্রাপকের ঠিকানা, প্রাপকের মোবাইল মানি অ্যাকাউন্ট নম্বর, প্রেরকের মোবাইল নম্বর, পাঠানোর কারণ।

মূলত উপরে উল্লেখিত বিষয়টি আপনি যদি সঠিকভাবে ফিলাপ করে নিতে পারেন, তাহলে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি চাইলে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে পারবেন।

এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সমস্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য আপনি চাইলে ওয়েবসাইটে এখান থেকে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে পারেন এবং তারপরে নির্দেশনা মেনে টাকা পাঠানো কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।

ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে

এছাড়াও আপনি যদি পরিপূর্ণ সুরক্ষার সাথে যেকোন দেশ থেকে টাকা পাঠাতে চান, তাহলে আপনি চাইলে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।

এই কাজটি করার জন্য আপনাকে প্রথমত নিজে থেকে একটি ব্যাংক একাউন্ট তৈরী করে নিতে হবে এবং তারপরে যার কাছে টাকা পাঠাবেন সেই ব্যক্তিকে ও একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।

দুজনের যদি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে তাহলে যে ব্যক্তি টাকা পাঠাবে, সেই ব্যক্তি যে কোন একটি ব্যাংকে গিয়ে নির্দিষ্ট এমাউন্ট দিয়ে তারপরে ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার দিয়ে দিলে টাকা পাঠানোর কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।

এক্ষেত্রে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হলেই হবে। আপনি চাইলে যেকোন রকমের থার্ড পার্টি এক্সচেঞ্জ সেন্টার থেকেও টাকা পাঠাতে পারবেন।

যেমন আপনি যার একাউন্টে টাকা পাঠাতে চান, তার একাউন্ট নাম্বার এবং একাউন্টের তথ্যগুলো জেনে নেয়ার পরে যেকোনো একটি এক্সচেঞ্জ সেন্টার থেকে নির্দিষ্ট এমাউন্টের দিয়ে টাকা পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

এছাড়াও জেনে নিনঃ বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর নিয়ম

উপরে আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে আপনি চাইলে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠাতে পারবেন।

তবে এখানে যে তথ্যটি দেয়া হয়েছে সেই তথ্যের মাধ্যমে যে শুধুমাত্র আপনি আমেরিকা থেকে টাকা পাঠাতে পারবেন সেটা কিন্তু নয়। আপনি চাইলে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে অন্যান্য যেকোন দেশ থেকে টাকা পাঠাতে পারবেন।

মোট কথা হল, আপনি যদি পুরোপুরি সিকিউরিটি সহায়তায় একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাতে চান তাহলে আপনি চাইলে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন কিংবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন।

তবে এখানে যে যে ওয়েবসাইটের কথা মেনশন করা হয়েছে সেটিও বিশ্বস্ত একটি সাইট হিসেবে পরিগণিত হয়। এবং অনেকেই বিদেশি রেমিটেন্স এর মাধ্যমে পাঠিয়ে থাকেন।

তবে আপনার যদি এতে কোন সন্দেহের অবকাশ হয় তাহলে আপনি চাইলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কিংবা একটি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করে দিতে পারেন।

কিভাবে যে কোন দেশ থেকে টাকা পাঠাতে হয় সেই রিলেটেড একটি আর্টিকেল এর লিংক উপরে দেয়া হয়েছে, সেই আর্টিকেলে লিংকটি দেখার মাধ্যমে আপনি টাকা পাঠানোর রিলেটেড বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে নিতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top