সোনালী ব্যাংক স্যালারি লোন কিভাবে নিবেন?

মূলত সোনালী ব্যাংকে যে সমস্ত লোন ব্যবস্থা রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে থেকে সোনালী ব্যাংক স্যালারি লোন অন্যতম একটি লোন ব্যবস্থা।

আপনি যদি ক্ষুদ্র এবং মাঝারি রকমের ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন, তাহলে সোনালী ব্যাংক স্যালারি লোন নেয়ার মাধ্যমে আপনার ব্যবসাকে দাঁড় করাতে পারবেন এবং সফল হতে পারবেন।

এছাড়াও অনেক চাকুরীজীবী রয়েছেন যাদের বেতন খুবই সর্বনিম্ন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান খুবই খুবই নগণ্য, যার কারণে তারা এই লোন সেবা নিতে চান।

আর এই সমস্ত ক্ষুদ্র বেতনের চাকরিজীবীদের জন্য সোনালী ব্যাংক লোন পরিষেবা চালু করে রেখেছে, যাতে তারা উপকৃত হয় এবং যাদের জীবন যাত্রার মান বাড়ে।

সোনালী ব্যাংক স্যালারি লোন নিয়ম কানুন

সোনালী ব্যাংকের একজন গ্রাহক হিসেবে আপনি যদি সোনালী ব্যাংক থেকে এই লোন সেবা নিতে চান, তাহলে যে সমস্ত নিয়মকানুন এর মধ্যে পড়তে হবে সেগুলো নিচে মেনশন করা হলো।

প্রথমেই এই সম্পর্কে বলে রাখা দরকার এই লোন নেয়ার যে সমস্ত উদ্দেশ্য রয়েছে সে সমস্ত উদ্দেশ্যগুলি সম্পর্কে; সোনালী ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার অনেকগুলো উদ্দেশ্য বিদ্যমান রয়েছে।

এই লোন নেয়ার খাত বা উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলোঃ কম্পিউটার প্রিন্টার এন্ড স্ক্যানার ক্রয়; সাইকেল মোটরসাইকেল ক্রয়; সবজি বাগান, নার্সারী স্থাপন; হাঁস-মুরগী পালন, গাভী পালন, গরু মোটাতাজাকরণ, মৎস চাষ প্রকল্প; কৃষি পণ্যের বিপনন, প্রমুখ।

ঋণপ্রাপ্তির যোগ্যতা

প্রথমেই এই সম্পর্কে জেনে নেয়া দরকার, আপনি যদি সোনালী ব্যাংক থেকে লোন পরিষেবা নিতে চান তাহলে এই লোন নেয়ার মত যোগ্য ব্যক্তি আপনি হতে পেরেছেন কিনা।

কারণ এই লোন সেবা মূলত কিছু স্পেসিফিক মানুষদের জন্য প্রযোজ্য হয়ে থাকে, যারা এই লোন সেবা এর মাধ্যমে উপকারী হতে পারেন।

এই ঋণ সেবা নিতে পারবেন বেসরকারী/স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা/কর্পোরেশনের কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সরকারী/বেসরকারী (এমপিওভুক্ত কলেজ, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক/মাধ্যমিক বিদ্যালয়)-এর শিক্ষকবৃন্দ।

এছাড়াও এই লোন নেয়ার ক্ষেত্রে যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গ আবেদন করবেন, তাদেরকে স্থায়ী চাকরিজীবী হতে হবে, এবং এলপিআরে যাবার তারিখ পূর্ণ হতে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরি স্থায়ী থাকতে হবে।

আর উপরে উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের জন্য মূলত এই লোন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, আপনি যদি এদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকেন তাহলে পোস্টটি কন্টিনিউ করুন।

ঋণের সীমা

সোনালী ব্যাংকের ঋণ পরিষেবা নেয়ার ক্ষেত্রে আপনি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন কত টাকা নিতে পারবেন, সে সম্পর্কে জেনে নেয়া প্রয়োজন। এখান থেকে ২০,০০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত লোন নেয়া সম্ভব।

এছাড়াও এই লোন নেয়ার ক্ষেত্রে মার্জিন রেট হলো ২০ শতাংশ। এটি হিসাব করা হবে আপনার ঋণ নেয়ার সংখ্যা হিসাব করে।

সুদের হার

ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার ক্ষেত্রে সুদ রিলেটেড বিষয়গুলো অবশ্যই আসে। আর সোনালী ব্যাংক থেকে পার্সোনাল লোন নেয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার ১২ শতাংশ তবে এটা সর্বোপরি পরিবর্তনযোগ্য।

মেয়াদ এবং কিস্তি

এই লোন এর সময়সীমা সর্বনিম্ন ১২ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং আপনাকে মোট কত টাকা কিস্তি দিতে হবে সেটা ক্যালকুলেশন করা হবে আপনার মেয়াদ এবং টাকার উপর ভিত্তি করে।

আর উপরে, উল্লেখিত বিধি-নিষেধ এবং ঋণের পরিমাণ আপনার পছন্দ হলে আপনি চাইলে এই লোন সেবা সোনালী ব্যাংক থেকে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

সোনালী ব্যাংক স্যালারি লোন কিভাবে নিবেন?

মূলত, লোন নেয়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই আপনাকে আপনার আশেপাশে থাকা সোনালী ব্যাংকের যে কোন একটি ব্রাঞ্চে গিয়ে উপস্থিত হতে হবে এবং তারপরে এই রিলেটেড বিষয়গুলো ভালভাবে বর্ণনা করতে হবে।

যদি, আপনার প্রয়োজন এবং সোনালী ব্যাংকের যে রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে সে সমস্ত রিকোয়ারমেন্ট গুলো মিলে যায় তাহলে এই লোন সেবা উপভোগ করতে পারবেন।

এছাড়াও এই রিলেটেড বিস্তারিত তথ্য জেনে নেয়ার জন্য আপনি চাইলে সোনালী ব্যাংক হেল্পলাইন নাম্বারে কল করতে পারেন।

এবং সোনালী ব্যাংকের যে সমস্ত ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের কন্টাক্ট নাম্বার রয়েছে, সে সমস্ত কন্টাক্ট নাম্বার এর লিস্ট আপনি চাইলে নিচের লিংকে ক্লিক করে সংরক্ষণ নিতে পারেন।

Contact Number

 

আশা করি, আপনি যে লোন নেয়ার জন্য এই আর্টিকেলের পদার্পণ করেছিলেন সেই লোন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পেরেছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top