ব্যাংক লোন পাওয়ার উপায় | ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া কি জায়েজ ?

আপনি যদি আপনার একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে চান এবং আপনার কাছে যদি নির্দিষ্ট পরিমাণের টাকার অংক না থাকে, তাহলে ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার উপায় জেনে ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারেন।

অর্থাৎ ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার উপায় জানার মাধ্যমে আপনি যদি ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে নেন, তাহলে আপনি চাইলে খুব সহজেই নির্দিষ্ট একটি কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।

আজকের এই আর্টিকেলের মূলত সমস্ত বিষয়াদি সম্পর্কে আলোচনা করা হবে যে ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার উপায় কি এবং ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া কি জায়েজ সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া কি জায়েজ?

আপনি যদি ইসলামী মাইন্ডের একজন ব্যক্তি হয়ে থাকেন, এবং আপনার যদি বিশ্বাস করেন যে আল্লাহ সত্য ইসলাম সত্য, তাহলে আপনি এই সম্পর্কে অবগত হয়ে যান, যে ব্যাংক থেকে লোন নেয়া সম্পূর্ণ হারাম।

একজন মুসলিম ব্যক্তি হিসেবে আপনি কখনোই ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারবেন না! এছাড়াও ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার যে ইসলামিক বিধান রয়েছে কিংবা ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার কি আসলেই যাবে সে সম্পর্কে জেনে নিতে চাইলে নিম্নলিখিত ভিডিওটি দেখে নিন।

Source: Youtube

উপরে উল্লেখিত ভিডিওটি দেখে নেয়ার মাধ্যমে, লোন নেওয়া কি জায়েজ কিংবা এই সংক্রান্ত ইসলামিক যে সমস্ত বিধান রয়েছে, সেগুলো বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন।

ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার উপায়

আপনি যদি সমস্ত বিষয়াদি বিবেচনা করে নেন এবং এ সম্পর্কে জেনে নিন যে ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া হারাম তারপরও যদি আপনার নিতে চান, তাহলে ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার উপায় সম্পর্কে জেনে নেয়ার প্রয়োজন আছে।

ব্যাংক থেকে লোন নেয়ার ক্ষেত্রে কি রকমের রিকোয়ারমেন্ট এবং অন্যান্য বিষয়াদি প্রয়োজন হবে এবং কোন কোন ব্যক্তি বর্গ আসলে লোন নিতে পারবেন, সেই সম্পর্কে জেনে নেয়ার প্রয়োজন আছে।

এই আর্টিকেলের মূলত বিস্তারিত আলোচনা করা হবে কাদের জন্য ব্যাংক লোন ব্যবস্থা রয়েছে এবং ব্যাংক লোন নিতে গেলে কি রকমের বিষয়াদি এবং যোগ্যতার প্রয়োজন হবে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত।

ব্যাংক লোন কারা পাবেন?

যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গ মূলত চাকরিজীবী কিংবা যেকোন একটি পেশার সাথে নিয়োজিত রয়েছেন এবং নির্দিষ্ট পরিমাণের বেতন পেয়ে থাকেন, যা ব্যাংক থেকে নির্ধারিত ঐ সমস্ত ব্যক্তিবর্গ ব্যাংক লোন নিতে পারবেন।

এছাড়াও এরকম অনেক ব্যাংক রয়েছে, যে সমস্ত ব্যাংক পেনশনভোগী ব্যক্তিবর্গ কিংবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকরিজীবীদের জন্য লোন সেবা দিয়ে থাকেন।

আপনি চাইলে এই সমস্ত ব্যাংক থেকেও অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবীদের জন্য কিংবা পেনশনভোগী ব্যক্তিবর্গের জন্য লোন নিতে পারবেন।

লোন নেয়ার ক্ষেত্রে বয়স সীমা কত?

আপনি যদি লোন নিতে চান, তাহলে যে ব্যক্তি লোন নিয়ে সেই ব্যক্তির বয়স সীমা সর্বনিম্ন ২০ বছর হতে হবে, অনেক ব্যাংক এই বয়সসীমা ১৮ বছর কিংবা ২২ বছর পর্যন্ত সর্বনিম্নভাবে সীমাবদ্ধ রাখে।

তবে সর্বনিম্ন বয়সসীমা ১৮ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৬০ বছরের মধ্যে আপনি লোন নিতে পারবেন অর্থাৎ আপনার বয়স সর্বনিম্ন ১৮ বছর হতে হবে এবং সর্বোচ্চ ৬০ বছর হতে হবে।

লোন নিতে হলে কত টাকা বেতন পেতে হবে?

লোন নেয়ার ক্ষেত্রে বেতনের হিসাব মূলত ব্যাংক থেকে নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ আপনি কত বেশি পরিমাণে লোন নিতে চান, সেই পরিমাণের উপর ভিত্তি করেই আপনার বেতনের হিসাব সমীকরণ করা হবে।

এরকম হতে পারে যে, আপনি ১০,০০০ টাকা বেতনের চাকরিজীবী হওয়ার পরেও নির্দিষ্ট একটি লোন নিতে পারবেন।

আবার এরকম হতে পারে আপনি ৩০,০০০ টাকা বেতনের চাকরিজীবী হওয়ার পরেও নির্দিষ্ট একটি লোন নিতে পারবেন না।

মূলত, আপনার বেতনের হিসাব কিংবা বেতনের অংক কতটুকু হতে হবে, সেটা আপনার আয় এবং পরিমাণের উপর নির্ভর করবে।

সহজভাবে বলতে গেলে, আপনি যদি বেশি পরিমাণ টাকা লোন নিতে চান, তাহলে আপনার বেতন বেশি হতে হবে এবং আপনি যদি কম পরিমাণ টাকা লোন নিতে চান, তাহলে কম বেতনের মধ্যে হলেই কাজ হয়ে যাবে।

লোন পরিশোধের সময়সীমা

আপনি যদি কম পরিমাণ অর্থ ঋণ নিয়ে থাকেন, তাহলে সেই লোন পরিশোধের জন্য সময়সীমা কম সময় নির্ধারিত হবে।

আপনি যদি বেশি পরিমাণে অর্থ নিয়ে নেন, তাহলে এর জন্য বেশি পরিমানে সময় আপনাকে দিয়েছে তা করা হবে।

এছাড়াও আপনি চাইলে সময়সীমার পূর্বে টাকা পরিশোধ করতে পারেন।

লোন নেয়া সুদের হার

আপনি যদি যে কোন ব্যাংক থেকে লোন নেন, এবং তারপরে টাকা যখন ফেরত দিবেন, তখন নির্দিষ্ট পরিমাণের সুদ দিতে হবে।

আর সে জন্যই লোন নেয়া সম্পূর্ণ হারাম অর্থাৎ আপনি লোন নেয়ার ক্ষেত্রে ইসলামিক দিক বিবেচনা করতে হবে, যদি আপনি মুসলমান হয়ে থাকেন।

ব্যাংক লোন নেয়ার উপায়

সমস্ত দিক বিবেচনা করে আপনি যদি ব্যাংক লোন নিতে চান, তাহলে ব্যাংক লোন নেয়ার উপায় রয়েছে সেই উপায় সম্পর্কে এবার জেনে নিন।

এক্ষেত্রে আপনি যদি উপরে উল্লেখিত শর্তের সাথে নিজেকে ফিট মনে করেন, তাহলে যে ব্যাংক থেকে আপনি ঋন নিতে চান, সেই ব্যাংকের যে কোন একটি শাখায় চলে যান। তবে অবশ্যই নির্দিষ্ট ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে যেতে হবে।

ডকুমেন্ট বলতে, আপনার আইডি কার্ড, গ্যারান্টার ব্যক্তি, সর্বশেষ ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইউটিলিটি বিল কপি, সহ আরো যে সমস্ত ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। সেগুলোর সাথে নিয়ে যেতে হবে।

যখনই আপনি এই সমস্ত তথ্যগুলো সাথে নিয়ে যাবেন, তখনি আপনি ব্যাংক লোন সুবিধা নিতে চান, সেটি তাদের সাথে ডিসকাস করবেন তাহলে তারা আপনাকে এই সম্পর্কে সহযোগিতা করবে।

আর এটি হল মূলত ব্যাংক লোন পাওয়ার যে উপায় রয়েছে, এবং ব্যাংক থেকে লোন নেওয়া কি জায়েজ? এই সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য।

Also Read :

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top